Type Here to Get Search Results !

এক কথায় প্রকাশ




ডাক

o   অশ্বের ডাক →  হ্রেষা

o   ময়ূরের ডাক  → কেকা

o   কুকুরের ডাক  →  বুক্কন

o   বাঘের ডাক →  গর্জন

o   পাখির ডাক    →  কূজন / কাকলি

o   কোকিলের ডাক  →  কুহু

o   হাতির ডাক   →  বৃংহিত / বৃংহণ

o   সিংহের নাদ / ডাক   →  হুংকার

o   রাজহাঁসের কর্কশ ডাক   →  ক্রেঙ্কার

o   পেঁচা বা উলূকের ডাক  → ঘূৎকার

o   মোরগের ডাক   →  শকুনিবাদ


ধ্বনি /শব্দ

o   অলংকারের ধ্বনি  → শিঞ্জন

o   বাদ্যযন্ত্রের ধ্বনি → ঝংকার

o   ভ্রমরের শব্দ → গুঞ্জন

o   সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দ → কল্লোল

o   ধনুকের ধ্বনি → টংকার

o   আনন্দজনক ধ্বনি  → নন্দিঘোষ

o   আনন্দের আতিশয্যে সৃষ্ট কোলাহল → হর্ রা

o   গম্ভীর ধ্বনি  → মন্দ্র

o   অব্যক্ত মধুর ধ্বনি  → কলতান

o   ঝনঝন শব্দ  → ঝঙ্কার

o   শুকনো পাতার শব্দ → মর্মর

o   বীরের গর্জন → হুংকার

o   সেতারের ঝংকার → কিঙ্কিনি

o   বিহঙ্গের ধ্বনি → কাকলি

 

ইচ্ছা

o   জানবার ইচ্ছা → জিজ্ঞাসা

o   হনন / হত্যা করার ইচ্ছা → জিঘাংসা

o   অনুকরণ করার ইচ্ছা → অনুচিকীর্ষা

o   অনুসন্ধান করার ইচ্ছা → অনুসন্ধিৎসা

o   পান করার ইচ্ছা → পিপাসা

o   খাইবার ইচ্ছা → ক্ষুধা

o   লাভ করার ইচ্ছা → লিপ্সা

o   মুক্তি পাওয়ার ইচ্ছা → মুক্তিকামী

o   প্রতিকার করার ইচ্ছা → প্রতিচিকীর্ষা

o   প্রবেশ করার ইচ্ছা → বিবিক্ষা

o   সেবা করার ইচ্ছা → শুশ্রূষা

o   রমণ বা সঙ্গমের ইচ্ছা → রিরংসা

o   ক্ষমা করার ইচ্ছা → চিক্ষমিষা

o   মুক্তি পেতে ইচ্ছা → মুমুক্ষা

o   উপকার করার ইচ্ছা → উপচিকীর্ষা

o   বিজয় লাভের ইচ্ছা → বিজিগীষা

o   জয় করার ইচ্ছা → জিগীষা

o   বমন করিবার ইচ্ছা → বিবমিষা

o   যেরূপ ইচ্ছা → যদৃচ্ছা

o   বেঁচে থাকার ইচ্ছা → জিজীবিষা

o   ত্রাণ লাভ করার ইচ্ছা → তিতীর্ষা

o   মুক্তি লাভে/পেতে ইচ্ছুক → মুমুক্ষু

o   অপকার করার ইচ্ছা → অপচিকীর্ষা

o   ভোজন করার ইচ্ছা → বুভুক্ষা

o   করার ইচ্ছা → চিকীর্ষা

o   বাস করার ইচ্ছা → বিবৎসা

o   দান করার ইচ্ছা → দিৎসা

o   গমন করার ইচ্ছা → জিগমিষা

o   নিন্দা করার ইচ্ছা → জুগুপ্সা

o   পাওয়ার ইচ্ছা → ঈপ্সা

o   সৃষ্টি করার ইচ্ছা → সিসৃক্ষা

o   প্রিয় কাজ করার ইচ্ছা → প্রিয়চিকীর্ষা

o   হরণ করার ইচ্ছা → জিহীর্ষা

o   নির্মাণ করার ইচ্ছা → নির্মিসা

o   প্রতিবিধান করার ইচ্ছা → প্রতিবিধিৎসা

o   যে রূপ করার ইচ্ছা → যদৃচ্ছা

o   হিত করার ইচ্ছা → হিতৈষা

o   দেখবার ইচ্ছা → দিদৃক্ষা

 

পুরুষ

o   যে পুরুষ বিয়ে করেছে  → কৃতদার

o   যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেনি → অকৃতদার

o   পুরুষের যে পুরুষ পত্নীসহ বর্তমান  → সপত্নীক

o   পুরুষের উদ্দাম নৃত্য → তাণ্ডব

o   যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে → প্রোষিতপত্নীক / প্রোষিতভার্য

o   যে পুরুষ প্রথম স্ত্রী জীবিত থাকতে দ্বিতীয় দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে → অধিবেত্তা / অধিবেদন

o   যে পুরুষ স্ত্রীর বশীভূত → স্ত্রৈণ

o   যে পুত্রের মাতা কুমারী → কানীন

o   পুরুষের কটিবন্ধ → সরাসন

o   যে পুরুষ বিয়ে করেনি → অকৃতদার

o   যে দার (স্ত্রী) পরিগ্রহ করেছে → কৃতদার

o   যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর → সুদর্শন

o   পুরুষের কর্ণভূষণ → বীরবৌলি

o   যে পুরুষের দাড়ি গোঁফ গজায়নি → অজাতশ্মশ্রু

 

নারী

o   যে নারী প্রিয় কথা বলে → প্রিয়ংবদা

o   যে নারী সুন্দরী → রমা

o   যে নারীর পতি নেই, পুত্রও নেই → অবীরা

o   প্রিয় বাক্য বলে যে → প্রিয়ভার্থী

o   যে নারীর স্বামী ও পুত্র মৃত → অধীরা

o   যে নারীর পঞ্চ স্বামী → পঞ্চভর্তৃকা

o   যে নারী কলহপ্রিয় → খাপ্তানী

o   যে নারীর বিয়ে হয়নি → কুমারী

o   যে নারী বার (সমূহ) → গামিনী বারাঙ্গনা

o   যে নারীর দুটি মাত্র পুত্র → দ্বিপুত্রিকা

o   যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় → স্বয়ংবরা

o   যে মেয়ের বয়স দশ বৎসর → কন্যকা

o   যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত → শুচিস্মিতা

o   যে নারীর বিয়ে হয় না → অনূঢ়া

o   যে নারীর বিয়ে হয়েছে → উড়া

o   যে নারীর সন্তান বাঁচে না → মৃতবৎসা

o   যে নারীর অসূয়া / হিংসা নাই → অনসূয়া

o   যে নারীর সতীন / শত্রু নেই → নিঃসপ্ত

o   যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে → নবোঢ়া

o   যে নারীর কোনো সন্তান হয় না → বন্ধ্যা

o   যে নারীর সহবাসে মৃত্যু হয় → বিষকন্যকা

o   যে নারীর দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না → অঙ্গনা

o   যে নারী শিশুসন্তানসহ বিধবা → বালপুত্রিকা

o   যে নারীর হাসি সুন্দর → সুস্মিতা

o   যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে → বীরপ্রসূ

o   যে নারী আনন্দ দান করে → বিনোদিনী

o   যে নারী অতি উজ্জ্বল ও ফর্সা → মহাশ্বেতা

o   যে নারী বীর → বীরাঙ্গনা

o   যে নারীর স্বামী ও পুত্র জীবিত → বীরা / পুরন্ধ্রী

o   যে নারী অপরের দ্বারা প্রতিপালিতা → পরভূতা / পরভৃতিকা

o   উত্তম বস্ত্রালঙ্কারে সুসজ্জিত নটীগণের নৃত্য → যৌবত

o   যে নারী অঘটন ঘটাতে পারদর্শী → অঘটনঘটনপটিয়সী

o   যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে → কাকবন্ধ্যা

o   যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয় না → অনন্যা

o   যে নারী পূর্বে অন্যের স্ত্রী / বাগদত্তা ছিল → অন্যপূর্বা

o   যে নারীর স্বামী দ্বিতীয় বিয়ে করেছে → অধিবিন্না

o   যে নারীর স্বামী বিদেশে থাকে → প্রোষিতভর্তৃকা

o   যে নারী কখনো সূর্যকে দেখেনি → অসূর্যম্পশ্যা

o   অবিবাহিতা জ্যেষ্ঠা থাকার পরও যে কনিষ্ঠার বিয়ে হয় → অগ্রোদিধিষু

o   যে নারী (বিবাহিত / অবিবাহিত) চিরকাল পিতৃগৃহবাসিনী → চিরন্টী

o   যে নারী (বা গাভী) দুগ্ধবতী → পয়স্বিনী

o   যে নারীর চিত্রে অর্পিতা বা নিবন্ধা → চিত্রার্পিতা

o   যে নারী সাগরে বিচরণ করে → সাগরিকা

o   নারীর লীলাময়ী নৃত্য → লাস্য

o   যে নারীর নখ শূপের (কুলা) মত → শূর্পণখা

o   নারীর কটিভূষণ → রশনা

o   নারীর কোমরবেষ্টনিভূষণ → মেখলা

 

যোগ্য

o   প্রশংসার যোগ্য → প্রশংসার্হ

o   যা চিবিয়ে খাবার যোগ্য → চর্ব

o   যা চেটে খাবার যোগ্য → লেহ্য

o   যা চুষে খাবার যোগ্য → চূষ্য

o   যা পান করার যোগ্য → পেয়

o   যা পাঠ করিবার যোগ্য → পাঠ্য

o   ঘ্রাণের যোগ্য → ঘ্রেয়

o   যা নিন্দার যোগ্য নয় → অনিন্দ্য

o   নৌ চলাচলের যোগ্য → নাব্য

o   ঘৃণার যোগ্য → ঘৃণার্হ / ঘৃণ্য

o   যা ক্রয় করার যোগ্য → ক্রেয়

o   যা খাওয়ার যোগ্য → খাদ্য

o   জানিবার যোগ্য → জ্ঞাতব্য

o   বরণ করিবার যোগ্য → বরেণ্য

o   রন্ধনের যোগ্য → পাচ্য

o   আরাধনা করিবার যোগ্য → আরাধ্য

o   ক্ষমার যোগ্য → ক্ষমার্হ

o   মান → সম্মান প্রাপ্তির যোগ্য → মাননীয়

o   ধন্যবাদের যোগ্য → ধন্যবাদার্হ

o   ফেলে দেবার যোগ্য → ফেলনা

o   ক্ষমার অযোগ্য → ক্ষমার্য

o   যা অন্তরে ঈক্ষণ যোগ্য → অন্তরিক্ষ

o   স্মরণের যোগ্য → স্মরণার্হ

o   যা বিক্রয় করার যোগ্য → বিক্রেয়

 

জন্ম

o   জন্মে নাই যা → অজ

o   দুবার জন্মে যা → দ্বিজ

o   শুভক্ষণে জন্ম যার → ক্ষণজন্মা

o   পঙ্কে জন্মে যা → পঙ্কজ

o   যে ভূমিতে ফসল জন্মায় না → ঊষর

o   অনুতে বা পশ্চাতে / জন্মেছে যে → অনুজ

o   সরোবরে জন্মায় যা → সরোজ

o   অগ্রে জন্মেছে যে → অগ্রজ

o   যে সমাজের (বর্ণের) অন্তদেশে জন্মে → অন্ত্যজ

o   পূর্বজন্মের কথা স্মরণ আছে যার → জাতিস্মর

o   যে জমির উৎপাদন শক্তি নেই → অনুর্বর

 

দিন

o   দিনের পূর্ব ভাগ → পূর্বাহ্ণ

o   দিনের মধ্য ভাগ → মধ্যাহ্ন

o   দিনের অপর ভাগ → অপরাহ্ন

o   দিনের সায় (অবসান) ভাগ → সায়াহ্ন

o   দিন ও রাতের সন্ধিক্ষণ → গোধূলি

o   প্রায় প্রভাত হয়েছে এমন → প্রভাতকল্প


রাত

o   রাত্রির প্রথম ভাগ → পূর্বরাত্র

o   গভীর রাত্রি → নিশীথ

o   রাত্রির মধ্য ভাগ → মহানিশা

o   রাত্রির শেষ ভাগ → পররাত্র

o   রাতের শিশির → শবনম

o   রাত্রির তিন ভাগ একত্রে → ত্রিযামা

o   রাত্রিকালীন যুদ্ধ → সৌপ্তিক

 

আপন

o   আপনাকে ভুলে থাকে যে → আত্মভোলা

o   আপনাকে হত্যা করে যে → আত্মঘাতী

o   যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না → বর্ণচোরা

o   আত্মার সম্বন্ধীয় বিষয় → আধ্যাত্মিক

o   যে আপনাকে কৃতার্থ মনে করে → কৃতার্থম্মন্য

o   আত্মিক আপনাকে সর্বস্ব ভাবে যে → আত্মসর্বস্ব

o   আপনাকে অত্যন্ত হীন বলিয়া ভাবে যে → হীনমন্য

o   আপনাকে যে পণ্ডিত মনে করে → পণ্ডিতম্মন্য

o   আপনার বর্ণ লুকায় যে → বর্ণচোরা

o   আপনাকে কেন্দ্র করে যার চিন্তা → আত্মকেন্দ্রিক

 

সকল

o   বিশ্বজনের হিতকর → বিশ্বজনীন

o   সকলের জন্য প্রযোজ্য → সর্বজনীন

o   সর্বজন সম্বন্ধীয় → সার্বজনীন

o   সর্বজনের হিতকর → সর্বজনীন

o   সকলের জন্য মঙ্গলকর → সর্বজনীন

o   সকলের জন্য অনুষ্ঠিত → সার্বজনীন

o   যিনি সর্বত্র ব্যাপিয়া থাকেন → সর্বব্যাপক

o   যিনি সব কিছুই জানেন → সর্বজ্ঞ

o   সবকিছু গ্রাস করে যে → সর্বগ্রাসী

o   সমস্ত পদার্থ ভক্ষণ করে যে → সর্বভুক

 

গাছ

o   যে গাছ থেকে ঔষধ তৈরি হয় → ঔষধি

o   যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না → বনস্পতি

o   একবার ফল দিয়ে যে গাছ মারা যায় → ওষধি

o   যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে → পরগাছা

o   যে গাছ কোনো কাজে লাগে না → আগাছা

 

গমন

o   আকাশে গমন / বিচরণ করে যে → বিহগ (পাখি)

o   সর্বত্র গমন করে যে → সর্বগ

o   যে গমন করে না → নগ (পাহাড়)

o   লাফিয়ে চলে যে → প্লবগ (ব্যাঙ / বানর)

o   বাহুতে ভর করে চলে যে → ভূজঙ্গ

o   যে পা দিয়ে চলে না → পন্নগ (সর্প)

o   যে উরস (বক্ষ) দিয়ে হাঁটে → উরগ (সর্প)

o   ইতস্তত গমনশীল বা সঞ্চরণশীল → বিসর্পী

o   বুকে হেঁটে গমন করে যে → উরগ (সাপ)

o   ত্বরিত গমন করতে পারে যে → তুরগ (ঘোড়া)

o   জলে ও স্থলে চরে যে → উভচর

 

হাত

o   হাতের প্রথম আঙুল (বুড়ো আঙুল) → অঙ্গুষ্ঠ

o   হাতের দ্বিতীয় আঙুল → তর্জনী

o   হাতের তৃতীয় আঙুল → মধ্যমা

o   হাতের চতুর্থ আঙুল → অনামিকা

o   হাতের পঞ্চম আঙুল → কনিষ্ঠা

o   হাতের তেলো বা তালু → করতল

o   হাতের কব্জি → মণিবন্ধ

o   হাতের কব্জি থেকে আঙুলের ডগা পর্যন্ত → পাণি